

নিজেস্ব প্রতিবেদক
নিম্নচাপের কারণে ঘূর্ণিঝড় শক্তির আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপ ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করে উত্তর উড়িশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে আজ বুধবার থেকেই ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে, যা বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। সেই সঙ্গে উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পশ্চিমাংশে নিম্নচাপটি তৈরি হয়, যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া, পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটা সংলগ্ন এলাকায় মঙ্গলবার রাত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। কখনও কখনও হালকা থেকে মাঝারি দমকা হাওয়াও বইছে। কুয়াকাটার কাছাকাছি বঙ্গোপসাগর এখন মাঝারি রকমের উত্তাল। সেই সঙ্গে সাগর নদীতেও অস্বাভাবিক জোয়ার দেখা দিয়েছে।
এই অবস্থায় বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসকারী প্রায় ছয় হাজার পরিবার সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। অনেকেই তীব্র দুর্ভোগে রয়েছেন, কারণ জোয়ারের ঢেউ ঘরের প্রাচীরে আছড়ে পড়ছে। সিপিপি (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি)-এর সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান খান জানান, উপকূলীয় এলাকায় তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
তবে এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মাঝেও কিছুটা স্বস্তির দিক রয়েছে। প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে, যা মানুষকে কিছুটা আরাম দিয়েছে। তবে কৃষকদের জন্য খবরটা খুব সুখকর নয়—আগাম বর্ষাকালীন সবজির ক্ষেতের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রধান কার্যালয় : ৪০১ উত্তর কাজীপাড়া, মিরপুর ঢাকা-১২১৬ ( ১ম তলা) শাখা কার্যালয় : সাত রং টঙ্গী গাজীপুর। মো:০১৯১১৬৯১৫২৯
All Rights Reserved by Dainik Batayan Barta