গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ থানার মামলা সুত্র জানা যায়, ২৩ তারিখ দিবাগত রাত এক ভদ্রমহিলা ৯ টা ৩০ মিনিটের দিকে টঙ্গী যাওয়ার উদ্দেশ্যে তার সিএনজিতে উঠে বসে। সাথে সাথে অন্য একটি লোক ওই নারীর সাথে বসলে ডাইবার গাড়ি তড়িঘড়ি করে চালিয়ে চলে যায়। ঘোড়াশাল ব্রিজ পার হওয়ার পর ভিতরে থাকা লোকটি ওই নারীর গলাচেপে চাপাটি ধরে। গানের গলার সোনার জিনিস ও নগদ ১০ হাজার টাকা সর্বোচ্চ নেওয়ার পর তার বাড়িতে ৫০০০০ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন । টাকা না দিতে পারলে নাহলে কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলে চলে যাবে বলে হুমকি প্রদর্শন করেন । এমতাবস্থায় ও নারীর গার্জিয়ানরা তাকে টাকা দিতে স্বীকৃতি প্রকাশ করে । এবং বিকাশ নাম্বার দিতে বলেন। বিকাশ নাম্বার দেওয়ার জন্য বিকাশের দোকানে গেলে রাত আনুমান বারোটার দিকে কালিগঞ্জ পূবালী ব্যাংকের মোড়ে বিকাশের দোকানে পৌঁছলে ওই নারীর চিৎকার করতে থাকে এক পর্যায়ে আশেপাশের লোকজনের এসে তাদেরকে উত্তম মাধ্যম দিয়ে থানায় নিয়ে যায়।
আসামিরা হলো পালদোনা আসমান্দীরচর গ্রামের ভাড়াটিয়া রাজা মিয়ার ছেলে আলম মিয়া
২/রফিকুল ইসলামের ছেলে জুয়েল মিয়াগ্রাম আলির টেক পলাশ নরসিংদী । কালিগঞ্জ থানার তদন্ত অফিসার শামীম আহমেদ জানান এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে পাঁচদোনা থেকে টঙ্গী যাওয়ার উদ্দেশ্যে প্যাসেঞ্জার সিএনজি যোগে আনা নেওয়া করেন , সুযোগ বুঝে প্যাসেঞ্জার কে একা পেয়ে তারা বেশি অস্ত্র দিয়ে হুমকি প্রদর্শন করেন তাদেরকে নির্জন স্থানে নিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করে আসছে

