একটা বিক্রি হওয়া সাংবাদিক, এক হাজার সন্ত্রাসীর চেয়েও সাংঘাতিক–
সাংবাদিকতা পেশা গবেষণায় সাম্প্রতিক পাওয়া একটা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়
“”সমাজে অনেক ধরনের অপরাধী আছে—চোর, ডাকাত, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, দুর্নীতিবাজ। কিন্তু তাদের চেয়েও ভয়ংকর এক শ্রেণির মানুষ আছে, তারা হলো “বিক্রি হওয়া “সাংবাদিক”। কারণ, সন্ত্রাসী সমাজের কয়েকজনকে ভয় দেখায় বটে কিন্তু একজন বিক্রি হওয়া “সাংবাদিক” পুরো জাতির বিবেককে ধ্বংস করে দেয়। যা এই পেশায় জীবন ধারনকারী শ্রেণীর মানুষ এর জন্য অত্যাবশ্যকীয় নীতি বিবর্জিত হওয়া কিছু “সাংবাদিক” ।
সাংবাদিকতা মানে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা, জনগণেরই কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। কিন্তু যখন কোনো সাংবাদিক টাকার লোভে, ক্ষমতার মোহে বা স্বার্থের বিনিময়ে কলম বিক্রি করে দেয়, তখন সে শুধু নিজের নয়—পুরো পেশার মানুষের “সম্মান”কেই কলঙ্কিত করে ধূলোয় মিশিয়ে দেয়।।
একটা বিক্রি হওয়া “কলম” যখন একটা মিথ্যাকে সত্য আর সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে গনমাধ্যমে তুলে ধরে, তখন সাধারণ মানুষ হয় বিভ্রান্ত, হারিয়ে যায় ন্যায়বিচার । সেই “সাংবাদিকই” তখন হয়ে ওঠে সমাজের জন্য এক ভয়ংকর অস্ত্র—নীরব কিন্তু ধ্বংসাত্মক ঘাতক ।
এক্ষেত্রে দেখা যায় সন্ত্রাসী একদিন ধরা পড়ে, বিচারও হয়,সাজাও হয়। কিন্তু বিক্রি হওয়া সাংবাদিক রয়ে যায় ছদ্মবেশে এই পেশায় লেবাস ধারন করে , সমাজের চোখে হয় সম্মানিত। অথচ সেই ছড়িয়ে দেয় বিভ্রান্তি, ভেঙে দেয় সাধারণ মানুষের বিশ্বাসটুকু, মেরে ফেলে সত্যের কণ্ঠস্বরকে আর বিষয়টাকে আড়াল করে ।
তাই বলা যায়—একটা বিক্রি হওয়া সাংবাদিক, সত্যিই এক হাজার সন্ত্রাসীর চেয়েও সাংঘাতিক।
যে দিন এই জাতি বিক্রি হওয়া কলমের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবে, সেদিন’ই সত্যিকারের মুক্ত সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠিত হবে। সমাজ এ প্রতিষ্ঠিত হবে সত্যের জয়ধ্বনি।

