
আব্দুল্লাহ আল মামুন: (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের জনগণের সেবক হতে চান। তিনি নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চান। বাজিতপুর-নিকলীর জনগণ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত, এবং তিনি তাদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থানের উন্নয়নই হবে তার প্রধান লক্ষ্য। দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন ও আইনের শাসন নিশ্চিত করাই তার অঙ্গীকার।
শিপু বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে এসেছি, রাজপথে সংগ্রাম করেছি। জনগণের অধিকার আদায়ে কখনো পিছু হটিনি। এখন সময় পরিবর্তনের, জনগণ সুশাসন ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব চায়। আমি তাদের সেই আস্থার প্রতিদান দিতে চাই।
বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেন, বদরুল আলম শিপুর অভিজ্ঞতা, ত্যাগ, সাহসিকতা ও গণমানুষের প্রতি ভালোবাসা তাকে বাজিতপুর-নিকলীর জন্য যোগ্য নেতা হিসেবে গড়ে তুলেছে। তারা আশাবাদী, তার নেতৃত্বে বাজিতপুর-নিকলী উন্নয়নের নতুন যুগে প্রবেশ করবে।
বদরুল আলম শিপু ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রসংসদের সাবেক জিএস এবং কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সক্রিয় সদস্য। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক গায়েবি মামলা দেওয়া হয়।
বর্তমানে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় বদরুল আলম শিপু জনগণের কাছে তার পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বাজিতপুর-নিকলীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থান এই চারটি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবেন। তিনি বলেন, আমি আপনাদের পাশে আছি, থাকব। অবহেলিত বাজিতপুর-নিকলীকে নতুন আলোয় উদ্ভাসিত করব ইনশাআল্লাহ। আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসাই আমার পথচলার শক্তি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বদরুল আলম শিপু ও তার দলীয় নেতাকর্মীরা জনগণের দুয়ারে পৌঁছাচ্ছেন। তারা গণসংযোগ, পথসভা ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে জনগণকে বিএনপির দিকনির্দেশনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছেন।
বাজিতপুর-নিকলীর সাধারণ জনগণ ও তরুণ সমাজ বদরুল আলম শিপুর নেতৃত্বে আশার আলো দেখছেন। তারা মনে করছেন, আগামী নির্বাচনে তার বিজয় নিশ্চিত হলে এলাকার দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান হবে এবং সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।
