
কাউছার মিয়াঃ
নরসিংদী জেলা শিবপুর উপজেলা দক্ষিণ সাধারচরের মৃত তাজুল ইসলামের স্ত্রী শামসুন্নাহার কে তুচ্ছ ঘটনায় মেরে ফেলার চেষ্টা করে একই এলাকার মৃত ওয়াজ উদ্দিন মুন্সির ছেলে কাজল মিয়া ও বজলুল রহমান।
এ বিষয়ে নরসিংদী আর্মি ক্যাম্প, পুলিশ সুপার, শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ও শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিধবা শামসুন্নাহার।
সুত্রে জানাযায়, বিধবা শামসুননাহারের কোন পুত্র সন্তান নাই,দুই মেয়ে বিয়ে দিয়ে একাই স্বামীর বসত ভিটায় বসবাস করেন। সে মানুষের বাড়িতে কাজ করে যা পায় তা দিয়েই নিজের সংসার চলে। প্রতিবেশী কাজল প্রায় সময়ই তার সাথে ঝগড়া করার চেষ্টা করে এবং শামসুন্নাহার কে মারধর করে। কাজল এলাকার চিহ্নিত খারাপ প্রকৃতির লোক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে রাজি নয়।
গত ২২/৫/২০২৫ ইং তারিখে শামসুন্নাহারের বাঁশ ঝাড় থেকে বাঁশের কঞ্চি কেটে নিয়ে যাওয়ায় শামসুন্নাহার প্রতিবাদ করলে কাজল ও তার ভাই বজলুর রহমান শামসুন্নাহারের চুলের মুঠি ধরে টানা হ্যাচরা শুরু করে। এক পর্যায়ে সে মাটিতে পড়ে গেলে কাজল এলোপাথাড়ি মারতে থাকে। শামসুন্নাহারের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসে এবং শামসুন্নাহার প্রাণে বেঁচে যায়।
শামসুন্নাহার বলেন, কাজল আমাকে প্রায় সময় মারধর করে, আমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার দিয়ে কোন মীমাংসা পাইনি। এলাকাবাসী কাজলের বিচার করতে পারবে না তাই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গরা গণস্বাক্ষর দিয়ে আমাকে আর্মি ক্যাম্পে পাঠায় যাতে আমি সুবিচার পাই।
